সোমবার, ১০ মে ২০২১, ০৭:১২ অপরাহ্ন

নিউজ অনলাইন বিডি:
নিউজ অনলাইন বিডি পোর্টালে স্বাগতম। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনার ছবি ও খবর আমাদেরকে মেইল করুন। দেশ ও জাতির কল্যাণে আমাদের সাথেই থাকুন।
ভার্সিটি ভর্তিতে আইসিটি (অধ্যায়-৫)

ভার্সিটি ভর্তিতে আইসিটি (অধ্যায়-৫)

অধ্যায়-৫; মৌলিক অংশ
১) প্রোগ্রাম/Program (কু, দি-১৬, রা-১৭)
কম্পিউটার বুঝতে পারে এমন নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে।
(সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় লিখিত কমান্ডের সমষ্টি)
২) প্রোগ্রামের ভাষা (কু-১৭, ব-১৭)যে সকল বর্ণ, অঙ্ক, সঙ্কেত, চিহ্ন দ্বারা প্রোগ্রাম তৈরি হয় তাকে প্রোগ্রামের ভাষা বলে।
৩) যন্ত্রভাষা/ মেশিন ল্যাংগুয়েজঃ যে ভাষা মেশিন বা যন্ত্র সরাসরি বুঝতে পারে তাকে যন্ত্রভাষা বলে। ইহা শুধু ০ ও ১ দ্বারা তৈরি হয়।
৪) উচ্চস্তর ভাষা /হাইলেবেল ল্যাংগুয়েজঃ যে ভাষা মেশিন বা যন্ত্র সরাসরি বুঝতে পারে না তাকে উচ্চস্তর ভাষা বলে। ইহা মানুষের ভাষার কাছাকাছি।
৫) অ্যাসেম্বলি ভাষা: মেশিন ভাষার সাঙ্কেতিক রূপই অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৬) 4GL/ ৪র্থ প্রজন্মের ভাষা (য-১৬,ব-১৭, ঢা-১৯)
4th Generation Language অতি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
৭) 5GL/ ৫ম প্রজন্মের ভাষা (মা-১৭)
5th Generation Language ইহা বুদ্ধিভিত্তিক ও ন্যাচারাল প্রোগ্রামিং ভাষা।
৮) অনুবাদক (রা-১৬, কু-১৭, উ-১৮, ব-১৯)
যে সফটওয়্যার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিতপ্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে তাকে অনুবাদক বলে।
৯) কম্পাইলার (ঢা,ব,মা-১৬, চ,সি,য-১৭)
যে অনুবাদক উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিতসম্পূর্ণ প্রোগ্রামকেএক সাথে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তর করে তাকে কম্পাইলার বলে।
১০) ইন্টারপ্রিটারঃ যে অনুবাদক উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে এক লাইন করে অনুবাদ করে সরাসরি নির্বাহ করে তাকে ইন্টারপ্রিটার বলে।
১১) চলক/Variable(চ-১৬,য-১৭, স-১৮, চ,ঢা-১৯)
মেমোরি লোকেশনকে চলক বলে।
১২) ধ্রুবক/ Constant(ঢা-১৭, কু-১৯)
প্রোগ্রামে যার মান পরিবর্তন হয় না তাকে ধ্রুবক বলে।
১৩) Syntax Error (সি-১৬, স-১৮)
প্রোগ্রামের ব্যকরণগত ভুলকে সিনট্যাক্স এরোর বলে।
১৪)অ্যারে (ঢা-১৭)একই জাতীয়ডেটার সেটকে অ্যারেবলে।
১৫) কী-ওয়ার্ড/ সংরক্ষিত শব্দ(দি-১৭, চ,রা-১৯)
সি প্রোগ্রামের সংরক্ষিত ৩২টি নিজস্ব শব্দকে কী-ওয়ার্ড বলে।
১৬) অবজেক্ট প্রোগ্রাম (স-১৮)
প্রোগ্রাম কম্পাইল করার পূর্বাবস্থাকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম/ কোড বলে।
১৭) অ্যালগরিদম/ Algorithm (দি-১৯)
প্রোগ্রাম তৈরির কার্যাবলী ধাপে ধাপে বর্ণনা করাকে অ্যালগরিদম বলে।
১৮) প্রবাহচিত্র/ Flowchart (মা-১৮)
প্রোগ্রাম তৈরির কার্যাবলী চিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করাকে ফ্লোচার্ট বলে।
১৯) সুডোকোড (ব-১৭, য-১৯)
মূল প্রোগ্রাম লেখার পূর্বে প্রোগ্রামের খসড়া করাকে সুডোকোড বলে।
২০) রাশিমালা/Expression (ব-১৭)
অপারেটর ও অপারেন্ড মিলে রাশিমালা তৈরি হয়।
২১) ফাংশনঃ প্রোগ্রামকে যখন ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয় তাকে ফাংশন বলে।
২২) স্টেটমেন্টঃ প্রোগ্রামের একবারে যেটুকু নির্বাহ করে তাকে স্টেটমেন্ট বলে।
২৩) ফরমেট স্পেসিফায়ার : ইনপুট বা আউটপুটের ডেটার ধরণ নির্দেশক।
২৪) ডেটাটাইপ: ডেটার ধরনকে ডেটাটাইপ বলে।
২৫) টোকেন: প্রোগ্রাম উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত চিহ্নগুলোকে টোকেন বলে।
২৬) বাগ/Error: প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলা হয়।
২৭) ডিবাগিং:প্রোগ্রামের ভুল খুঁজে বের করে সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলে।
২৮)লুপিং /Loop: প্রোগ্রামে কোনো নির্দেশ পুনরাবৃত্তি হলে তাকে লুপ বলে।
২৯) C/ C++: বিট পর্যায়ের মধ্যস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা
৩০) হেডার ফাইল: (য-১৯)প্রোগ্রামেরশুরুতে .h যুক্ত ফাইল।
৩১) অ্যাসেম্বলার: যে অনুবাদক অ্যাসেম্বলী ভাষাকে যন্ত্রভাষায় কোড করে তাকে অ্যাসেম্বলার বলে।
৩২) রানটাইম এরোরঃ (সি-১৯) প্রোগ্রাম নির্বাহের সময়ের ভুল।
৩৩) Volatile Memory = অস্থায়ী = RAM
৩৪) Non-Volatile Memory = স্থায়ী = ROM

অধ্যায়-৫; বিবরণ অংশ
* সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় লিখিত কমান্ডের সমষ্টিই প্রোগ্রাম।
* কম্পিউটারবুঝতে পারে এমন নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে।
* অনেকগুলো প্রোগ্রাম মিলে সফটওয়্যার হয়।* কম্পিউটারের প্রাণ প্রোগ্রাম
কম্পিউটারে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত বর্ণ, চিহ্ন, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মকে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম ৫টি
প্রজন্ম শুরুর সাল ভাষা গঠন
প্রথম ১৯৪৫ মেশিন ভাষা ০,১ দ্বারা তৈরি/ যন্ত্রের নিজস্বভাষা
দ্বিতীয় ১৯৫০ অ্যাসেম্বলি ভাষা সংকেত দ্বারা তৈরি
তৃতীয় ১৯৬০ উচ্চতর ভাষা ইংরেজি শব্দ দ্বারা লেখা হয়
চতুর্থ ১৯৭০ অতিউচ্চতর ভাষা ইংরেজি বাক্যের মতো
পঞ্চম ১৯৮০ স্বাভাবিক ভাষা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা/ মানুষের ভাষা
প্রকারঃ ১-নিম্মস্তরের ভাষা২-মধ্যম স্তরের ভাষা৩-উচ্চস্তরের ভাষা
মেশিন ভাষা উচ্চস্তর ভাষা
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা মানুষের ভাষার কাছাকাছি
সরাসরি কম্পিউটার বুঝে সরাসরি কম্পিউটার বুঝে না
কম্পিউটার সরাসরি নির্বাহ করে কম্পিউটারের নির্বাহে সময় লাগে
কম মেমরিতে রান হয় নির্বাহে বেশি মেমোরি প্রয়োজন
প্রোগ্রাম লেখা কঠিন ও কষ্টকর শেখা সহজ, দ্রুতপ্রোগ্রাম তৈরি
প্রোগ্রাম লিখতে সময় বেশি লাগে সংক্ষেপে ও দ্রুত লেখা যায়
ভুল শনাক্ত করা কঠিন ভুল শনাক্ত ও সংশোধন সহজ
এক কম্পিউটারের প্রোগ্রাম অন্য কম্পিউটারে চলে না এক কম্পিউটারের প্রোগ্রামসকল কম্পিউটারে ব্যবহার যোগ্য
১৯৪৫ সালে মেশিন ভাষা বা যান্ত্রিক ভাষা চালু হয়। এ ভাষা ০ ও ১ এদুটি বাইনারি অঙ্ক দ্বারা লেখা হয়। সকল ডিজিটাল ডিভাইস এ পদ্ধতিতে কাজ করে।
অ্যাসেম্বলী হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী স্তরের ভাষা, ১৯৫০ সালে।
মধ্যস্তরের ভাষা হচ্ছে বিট পর্যায়ের ভাষা যা কম্পিঊটারের হার্ডওয়ার নিয়ন্ত্রণ ও সিস্টেম প্রোগ্রাম রচনায় ব্যবহার করা হয়।সি ও সি++ এ পর্যায়ের বিখ্যাত ভাষা।
উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে- c,c++, ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, ওরাকল, অ্যালগল, ফোরট্রান, পাইথন।
২প্রকার; ১) সাধারণ কাজের (বেসিক, সি) ২) বিশেষ কাজের (কোবল, ফোরট্রান)
চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা/4GL/ 4th Generation Language
SQL, NOMAD, RPG, FOCUS, Intellect Oracle
পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতে মানুষের ভাষা কম্পিউটারে ব্যবহার।
যেমন LISP, Prolog, OPS5, Mercury
অনুবাদক প্রোগ্রাম; উচ্চস্তর ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে যন্ত্রভাষায় রূপান্তরের সফটওয়ার।
* মেশিন ভাষা কম্পিউটার বুঝে, তাই অনুবাদ করা প্রয়োজন হয় না
* আসেম্বলি ভাষার প্রোগ্রামকে যন্ত্রভাষায় অনুবাদ করার জন্য অ্যাসেম্বলার আছে।
* উচ্চস্তর ভাষার প্রোগ্রামকে যন্ত্রভাষায় অনুবাদে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রিটার আছে।
Compiler- কম্পাইলার Interpreter – ইন্টারপ্রিটার
উৎস ভাষার প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করে উচ্চস্তর ভাষার প্রোগ্রামকে যন্ত্রভষায় অনুবাদ করে ও সরাসরি নির্বাহ করে
একসাথে পুরো প্রোগ্রাম পড়ে ও একসাথে অনুবাদ করে প্রোগ্রামটি একলাইন করে পড়ে ও একলাইনঅনুবাদ করে
সব ভুল একসাথে প্রদর্শন করে লাইনের ভুল লাইনে প্রদর্শন করে
ডিবাগিং ও টেস্টিং ধীরগতি ডিবাগিং ও টেস্টিং দ্রুতগতি
প্রোগ্রামনির্বাহে সময় কম লাগে প্রোগ্রামনির্বাহে সময় বেশি লাগে
প্রোগ্রমাম তৈরির ধাপ; ১। প্রোগ্রামের মূল কাজ বর্ণনা
২। অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট করা
৩। কোড লেখা (লিখিত প্রোগ্রাম=সোর্স কোড, কম্পাইলকৃত=অবজেক্ট কোড)
৪। যাচাই করা ও ভুল থাকলে সংশোধন করা (বাগ-ডিবাগিং-টেস্টিং)
প্রোগ্রাম লেখার পূর্বে কাজের ধাপগুলোকে চিত্রে প্রকাশ করাকে ফ্লোচার্ট বলে।
ফ্লোচার্টের আন্তর্জাতিক চিত্র ৬টি
গন্তব্য/ Terminal= শুরু ও শেষে বসে
গ্রহণ-নির্গমন/ Input-output=
প্রক্রিয়াকরণ/ Processing=
Decision/ সিদ্ধান্ত=
প্রবাহদিক/ Direction=
সংযোগ/ Connector=

Pseudo গ্রীক শব্দ যার অর্থ ছদ্ম বা কৃত্রিম।
প্রোগ্রামের কার্যাবলি তুলে ধরা খসড়া স্টেটমেন্টের সমাহারকে সুডোকোড বলে।
বাগ অর্থ পোকা, ভুলকে বাগ বলা হয়। ডিবাগিং অর্থ পোকা বাছাই।
১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারে পোকা প্রবেশ করলে সেটি বন্ধ হয়ে যায়, সেই থেকে ভুলকে বাগ ও ভুল সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলা হচ্ছে।
ভুল হতে পারে৩ ধরনের;
১-সিনট্যাক্স এরোর (ব্যকরণগত) সিনট্যাক্স এরোরের জন্য কম্পিউটার সাড়া দেয়।
২- লজিক এরোর (যুক্তিগত)
৩- ডেটা এরোর /রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম এরোর।
প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল ৪টি প্রসিদ্ধ মডেল রয়েছে।
১-স্টাকচার্ড প্রোগ্রামিং- প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে লেখা হয়। যেমন; সি, বেসিক, কিউবেসিক, প্যাসকেল
২-ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং- স্টাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর কাঠামো ও ভাষাকে GUI (Graphical User Interface) রূপান্তরিত করে তৈরি হয় ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং তৈরি করা হয়।মাইক্রোসফট একসেস, মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক, মাইক্রোসফট ভিজুয়াল ফক্সফ্রো, ভিজুয়াল সি++, ভিজুয়াল জে++
৩-অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং- এতে ৩টি ধারণা সাপোর্ট থাকতে হবে। পলিমরফিজম (ভিন্ন অবজেক্টের ভিন্ন ভিন্ন সাড়া), ইনহেরিটেন্স (গ্রুপগুলোর মূলটির বৈশিষ্ট্য বহণ করা), এনক্যাপসুলেশন (চলকের ডেটা ও লজিক একত্রে )সি++, জাভা, সি শার্প, স্মল টক, রুবি, পিএইচপি, পাইথন, পার্ল
৪-ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং –চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রাম। ইহা মূলত ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং।

সিভাষা ১৯৭০সালে Dennis Ritchieআমেরিকার বেল ল্যাবে তৈরি করেন।
BCPL>B>C এভাবে উন্নত হয়ে সি++, ইহা মিড লেবেল প্রোগ্রামিং ভাষা।
হার্ডওয়ারকে নিয়ন্ত্রণ করে সুবিধামত প্রোগ্রাম তৈরি করে।
সিভাষাস্টাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
সি++ভাষা ১৯৮০ সালে বিয়ারনে স্ট্রোওস্ট্রুভ আমেরিকার বেলল্যাবে তৈরি করেন।
ইহা অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
∙সি প্রোগ্রাম লেখার জন্য দরকার এডিটর সফটওয়্যার, যেমন Dev C++, Turbo C++, Code block
যখন কোড লেখা হয় তাকে বলে= Source Code
আবার কম্পাইল করার পর নাম হয় = Object Code
∙Source Codeকে সেইভ করতে=Ctrl+S
কম্পাইলকরতে Alt+f9
প্রোগ্রামকে রান করতে বা চালু করতে=Ctrl+f9 প্রেসকরতেহয়।
হবে scanf/printf থাকলে
হবে getch/ clrsc থাকলে
হবে pow/ sqrt থাকলে
ডেটাটাইপ (int=পূর্ণসংখ্যা, float=ভগ্নাংশ, char=বর্ণ) +চলক (ডেটার নাম)
scanf ইনপুটফাংশন (ফরম্যাট স্পেসিফায়ার+ অ্যাড্রেস অপারেটর+ইনপুট চলক)
প্রোসেসিং (এখানে মূল সূত্র হবে)
printf আউটপুট ফাংশন (ফরম্যাট স্পেসিফায়ার+ আউটপুট চলক)

ডেটাটাইপ; ডেটার ধরনকে ডেটাটাইপ বলে।
∙সি ভাষায় ৪ প্রকার ডেটা টাইপ আছে;
১। মৌলিক/ বিল্ট-ইন/primary ডেটাটাইপ;
২। Draived ৩। User Defined ৪। Blank
মৌলিক ডেটা টাইপ ৪ প্রকার;
সি ভাষায় পূর্ণরূপ বাংলায় মেমোরি ফরমেট স্পেসিফায়ার
char Character বর্ণ/ অক্ষর ১ বাইট %c
int Integer পূর্ণ সংখ্যা ২ বাইট %d
float Float ভগ্নাংশ ৪ বাইট %f
double Double বড় ভগ্নাংশ ৮ বাইট %lf
৯-১ ধ্রুবক constant ; যার মান পরিবর্তন হয় না তাই ধ্রুবক।
৯-২ চলক variable ; যার মান পরিবর্তন হয় তাই চলক।
ডেটার মেমোরি লোকেশনকে চলক বলে। (ডেটা কত বাইট স্থান নিবে)
ঘোষণার ভিত্তিতে চলক ২প্রকার; লোকাল/স্থানীয় ও গ্লোবাল/ সর্বজনীন
চলকের গঠন; datatype+variable
চলক বা ভেরিয়েবল ঘোষণার নিয়ম;
১-প্রথম অক্ষর অবশ্যই বর্ণ হবে
২-বর্ণ, সংখ্যা, _ছাড়া অন্য কিছু হবে না
৩-একই ফাংশনে একই নামে একাধিক চলক হয় না
৪-নামের মধ্যে স্পেস থাকে না
৫-নাম ডিজিট দিয়ে শুরু হয় না
৬-বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের আলাদা ভ্যালু
৭-রিজার্ভ ওয়ার্ড ব্যবহার হয় না
৮-সর্বাধিক ৩১ ক্যারেক্টরে চলক হতে পারে
কিছু শুদ্ধ চলক a, A, roll_no, roll2, R2, Int, Main, integer
কিছু অশুদ্ধ চলক 5, 5Roll, Roll no, Roll-no, roll@no, int

অপারেটরের সাথে অপারেন্ড মিলে তৈরি হয়রাশিমালা।
x=a+b/c এখানে অপারেটর ৩টি, অপারেন্ড ৪টি
অপারেটর ২প্রকার;
unary=এক দিকে সম্পর্ক+4 -5 i++ i– ++i i++
binary=দুইদিকেসম্পর্ক; a+b ইহা ৬প্রকার;
Arithmatic গাণিতিক + µ * / %
Relational সম্পর্কযুক্ত < > <= >= == !=
Logical যৌক্তিক || && !
Bitwise বিট-বাইট | & << >> ^
Assignment = += -= *= /= %=
Conditional ? :
প্রোগ্রামে ব্যবহৃত কতগুলো সংরক্ষিত বিশেষ শব্দকে কি-ওয়ার্ড বলা হয়। ৩২টি।
সংরক্ষিত বিশেষ শব্দ=৩২টি char, int, long, short, if, for, else
একই ধরনের ডেটার সেটকে অ্যারে/বিন্যাস বলে।
একমাত্রিকint x[2], দ্বিমাত্রিকint x[2][3], বহুমাত্রিকint x[2][3][4]
বড় কোন প্রোগ্রামকে যখন ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয় তাকে ফাংশন বলে।
২প্রকার; ইউজার ডিফাইন্ড ও লাইব্রেরি ফাংশন (নিউমেরিক ও স্ট্রিং)
stdio.h হেডার ফাইলের ফাংশন হচ্ছে scanf()printf()
conio.h হেডার ফাইলের ফাংশন হচ্ছে getch() clrscr()
math.hহেডার ফাইলের ফাংশন হচ্ছে pow() sqrt()
ইনপুট ফাংশন= scanf(), getch(), getche(), getchar(), gets
আউটপুট ফাংশন= printf(), putch(), putchar(), puts

অধ্যায়-৫; নৈর্বক্তিক অংশ

১.প্রোগ্রাম হচ্ছে কম্পিউটারের প্রাণ, কতগুলো প্রোগ্রাম মিলে সফটওয়্যার হয়
কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় লিখিত কমান্ডের সমষ্টি
কম্পিউটারে হিসাবের জন্য CPU থাকে যা মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে থাকে
২. কম্পিউটারের মেমরি –
মেমোরি ২প্রকার; স্থায়ী ও অস্থায়ী
অস্থায়ী=RAM= Volatile
স্থায়ী=ROM= Non-Volatile
HDD, DVD স্থায়ী
৩. কম্পিউটারের মেমরির গতি ও মূল্যের ধারাবাহিকতা
রেজিস্টার, ক্যাশ, র‍্যাম,
৪. যে ভাষার প্রোগ্রাম কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে =যান্ত্রিক ভাষা
৫. কম্পিউটারের যান্ত্রিক ভাষার বর্ণগুলো = ০ ১
৬. কম্পিউটার মেশিন ভাষা সরাসরি বুঝে বিধায় অনুবাদক প্রয়োজন হয় না
৭. সবচেয়ে নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা = মেশিন ভাষা
৮. মেশিন ভাষা
i.প্রোগ্রাম সরাসরি ও দ্রুত নির্বাহ হয় ii.যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল
iii. দ্রুত প্রোগ্রাম লেখা যায় না iv.কম্পিউটার সংগঠন বর্ণনা করে
৯. যন্ত্র ভাষায় অনুবাদ করা হয় কোনটি= অপারেশন কোড
১০. সাংকেতিক ভাষা /symbolic প্রোগ্রামিং ভাষা = অ্যাসেম্বলি ভাষা
১১. অ্যাসেম্বলি ভাষা ২য় প্রজন্মের ভাষা
১২. উচ্চতর ও নিম্নস্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা থাকে =মধ্যম স্তরের ভাষা
১৩. বিট, বাইট, মেমোরি এড্রেস নিয়ে কাজ করা যায়- মধ্যস্তর ভাষা, যন্ত্র ভাষা, সি
১৪. যে ভাষা মানুষের ভাষার মতোই, প্রোগ্রাম দক্ষ-সংক্ষিপ্ত হয় =উচ্চতর ভাষা
১৫. উচ্চস্তরের ভাষার প্রকার i.সাধারণ কাজের ভাষা ii.অ্যাসেম্বলি
১৬. ১ম= যন্ত্র ভাষা বা মেশিন ল্যানগুয়েজ ২য়= অ্যাসেম্বলী ভাষা
৩য়= সি, সি++, ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, ওরাকল, অ্যালগল, ফোরট্রান, পাইথন
৪র্থ= SQL, NOMAD, FOCUS, RPG III, Intellect Oracle
১৭. 4GL =4th Generation Language=অতি উচ্চতর ভাষা
১৮. 5GL ভাষা =OPS5 Prolog Mercury
১৯. কম্পিউটারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভাষা/ স্বাভাবিক ভাষা = 5GL
২০. ‘সি’ ভাষার জনক ডেনিচ রিচি স্ট্রাকচার মডেলে তৈরি
এটি সাধারণ কাজের ভাষা বেল ল্যাবে ১৯৭২ সালে আবিষ্কৃত
২১. সি++ ভাষা র জনক জর্ন স্ট্রাওস্ট্রপ অবজেক্ট অরিয়েন্টেড মডেলে তৈরি
সি ভাষা + ক্লাস= সি++ বেল ল্যাবে ১৯৮০ সালে আবিষ্কৃত
২২. ভিজুয়াল বেসিক ভাষার উদ্ভাবক Microsoft
এসেছে BASIC ভাষা থেকে, জন্ম ১৯৯১ সালে
২৩. জাভা ভাষার জনক জেমস গসলিং সি++ এর মডেলে তৈরি হয়
OAKভাষা থেকে এর সৃষ্টি, ১৯৯১ সালে সান মাইক্রোসিস্টেম চালু করে
২৪. ওরাকল ভাষা = সর্বকালের সেরা ডেটাবেজ ভাষা, ইহার জনক ল্যারি এলিসন
ইহা বিশেষ কাজের ভাষা, এর ভিত্তিSQL
২৫. ফোরট্রান ভাষা সবচেয়ে পুরাতন উচ্চস্তর ভাষা,
জনক আইবিএম ১৯৫৭ সালে, জটিল গাণিতিক কাজের ভাষা
২৬. Python ভাষা ও ALgol ভাষা
অ্যালগল = ১৯৫৮ সালে পাইথন = গিডো ভান রোসাম ১৯৯১ সালে
পাইথন ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার ভাষা
২৭. যে প্রোগ্রাম কমপিউটারের উৎস ভাষাকে যন্ত্র ভাষায় অনুবাদ করে তাকে বলে
অনুবাদক প্রোগ্রাম বা অনুবাদক সফটওয়্যার বা translator
২৮. অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে ৩ টি i.কম্পাইলার ii.ইন্টারপ্রিটার iii.অ্যাসেম্বলার
২৯. ৩য় প্রজন্মের ভাষার অনুবাদক ২টি; i.কম্পাইলার ii.ইন্টারপ্রিটার
৩০. উচ্চস্তরের ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে বস্ত্ত প্রোগ্রামে অনুবাদ করে কম্পাইলার
৩১. কম্পাইল করার পূর্বে প্রোগ্রামকে Source Code বলে
৩২ . প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা কোডকে বলে Source Code
৩৩. কম্পাইল করার পরে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তরিত প্রোগ্রামকে বলে
Object Code
৩৪. কম্পাইলার প্রোগ্রামকে ১ লাইন করে অনুবাদ করে
৩৫. ভিন্ন ভিন্ন উচ্চস্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে
৩৬. কম্পাইলার উচ্চস্তরের ভাষাকে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে
এক সাথে পুরা প্রোগ্রাম পড়ে ও অনুবাদ করে
৩৭. অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার
৩৮. প্রোগ্রামের প্রতিটি লাইন ভিন্ন ভিন্নভাবে অনুবাদ করে ইন্টারপ্রিটার
৩৯. ইন্টারপ্রিটার সরাসরি প্রোগ্রাম নির্বাহ করে
ii. উচ্চস্তরের ভাষাকে যন্ত্র ভাষায় রূপান্তরিত করে
iii.এক লাইন করে পড়ে ও অনুবাদ করে
৪০. কম্পাইলার-ইন্টারপ্রিটার পার্থক্য রয়েছে যে ক্ষেত্রে
i.প্রোগ্রাম অনুবাদ ii.কাজের গতি iii.ভুল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে
৪১. প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই প্রধানত ৩টি অংশ থাকে
i.ইনপুট ii.প্রোসেসিং iii.আউটপুট
৪২.প্রোগ্রাম রচনার ধাপ হচ্ছে
i.সমস্যা নির্ণয় ও বিশ্লেষণ ii.প্রোগ্রাম ডিজাইন (অ্যালগরিদম, ফ্লোচার্ট)
iii. প্রোগ্রাম কোডিং iv. ডিবাগিং ও টেস্টিং
৪৩. প্রোগ্রাম ডিজাইন = i. অ্যালগরিদম ii.ফ্লোচার্ট iii.সুডোকোড
৪৪ অ্যালগরিদম = প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ বর্ণনা
৪৫. প্রবাহচিত্র = প্রোগ্রাম তৈরির চিত্ররূপ
৪৬. প্রবাহচিত্র বা ফ্লোচার্ট ২ প্রকার
৪৭. প্রোগ্রামের ফলাফল প্রদর্শনের চিহ্ন = আয়তক্ষেত্র
৪৮. সুডোকোডের i.গ্রীক শব্দ ii.শাব্দিক অর্থ ছদ্ম iii.খসড়া প্রোগ্রাম
৪৯. আধুনিক প্রোগ্রামিং মডেল
স্ট্রাকচার প্রোগ্রামিং ভাষা অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা
ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং ভাষা ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং ভাষা
৫০. অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর বৈশিষ্ট্য
ইনহেরিটেন্স এনক্যাপচুলেশন পলিমরফিজম
৫১. সি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যা থেকে অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার সৃষ্টি
৫২. সি ভাষায় কম মেমোরি ও রিসোর্স নিয়ে সহজে প্রোগ্রাম লেখা যায়
৫৩. General Purpose C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক = ডেনিস রিচি
৫৪. সি ভাষা হচ্ছে =স্ট্রাকচার প্রোগ্রামিং ভাষা
৫৫. হার্ডওয়ার নিয়ন্ত্রণ ও সফটওয়্যার তৈরি সুবিধার জন্য মধ্যস্তরের ভাষা- সি
৫৬. স্ট্রাকচার প্রোগ্রামিং মডেল সি ভাষার অবজেক্ট অরিয়েন্টেড ভার্সন – সি++
৫৭. মেমোরি এড্রেস নিয়ে সরাসরি কাজ করা যায়-
i. মেশিন ভাষা ii. এসেম্বলী ভাষা iii. সি ভাষা
৫৮. সি ভাষার বৈশিষ্ট্য
i. উচ্চস্তর ও নিম্মস্তর ভাষার সুবিধাযুক্ত ii.এক বা একাধিক ফাংশনের সমষ্টি
iii. হার্ডওয়ার নিয়ন্ত্রণ ও সিস্টেম প্রোগ্রাম রচনা করা যায়
৫৯. সি ভাষার ব্যবহার আছে i. কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে
ii. প্রোগ্রামিং ভাষার কম্পাইলার তৈরিতে iii.সিস্টেম ও এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরিতে
৬০. প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলে
৬১. প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলে
৬২. প্রোগ্রামের ভুলের প্রকার হচ্ছে
Data Error, LogicError, Syntex Error
৬৩. যে ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হয় সেই ভাষার ব্যাকরণগত ভুল= সিনট্যাক্স ভুল
৬৪. সিনট্যাক্স ভুলের জন্য কম্পিউটার সাড়া দেয়
৬৫. সি ভাষার সোর্স এডিটর / কোডিং সফটওয়্যার হচ্ছে
i. CodeBlock ii. নেট বিনস iii. মাইক্রোসফট ভিজুয়াল স্টুডিও
৬৬. সি প্রোগ্রামে কমান্ড হিসেবে কী-দ্বয় চাপতে হয়
i. কম্পাইলকরা= Alt+f9
ii. সেভকরা=Alt+s
iii. রান করার জন্য Ctrl+f9
৬৭. সি প্রোগ্রামের ৬টি অংশের মধ্যে আবশ্যক অংশ হচ্ছে
ii. লিংক সেকশন ii. মেইন সেকশন
৬৭. মেইন ফাংশন ছাড়া সি প্রোগ্রাম অসম্ভব
৬৮. scanf( ) উপাত্ত গ্রহণের কমান্ড / ইনপুট ফাংশন
৬৯. printf( ) ফলাফল প্রদর্শনের ফাংশন/ আউটপুট ফাংশন
৭০. সি প্রোগ্রামিং ভাষায় printf( )এর সাহায্যে ডেটা কোথায় পাঠান হয়
আউটপুট মান আউটপুট মাধ্যমে
৭১. ভাষার কাঠামো সিকুয়েন্স #include<> main()
৭২. সি প্রোগ্রামের হেডার ফাইল
i. stdio.h ii.conio.h iii.math.h
৭৩. প্রোগ্রামে printf( ) / scanf( ) ফাংশন থাকলে শুরুতে stdio.h হেডারফাইল অবশ্যই যুক্ত করতে হবে
৭৪. Standard Input Output header file = stdio.h
৭৫. Continue Input Output header file = conio.h
৭৬. getch() / clrscr()ফাংশন = conio.h
৭৭. সি প্রোগ্রামে ৩টি সংখ্যা ইনপুট দেয়ার সঠিক ফাংশন হবে
scanf(“%d%d%d”, &a,&b,&c);
৭৮. scanf() ফাংশনের মধ্যে থাকে
i.format specifier ii. address operator iii.Variable
৭৯. printf() ফাংশনের মধ্যে থাকে
i.format specifier ii.Variable
৮০. সি ভাষায় ব্যবহৃত ডেটার ধরণকে বলে = ডেটা টাইপ
৮১. সি ভাষার ডেটা টাইপ ৪ প্রকার
Character, Integer, Float, Double
৮২. charও int বলতে বুঝায় = বর্ণ ও পূর্ণ সংখ্যা
৮৩. সকল ধনাত্মক ও ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যাকে বলে =ইন্টিজার
৮৪. char ডেটা টাইপ ১ বর্ণ ধারণ করে
৮৫. চলকের জন্য মেমোরি হিসাব
ক্যারেক্টর=১বাইট, ইন্টিজার=২, ফ্লোটিং=৪, ডবল=৮বাইট
৮৬. ক্যারেক্টার ডেটা টাইপ যে পরিমাণ জায়গা নেয় =এক বাইট=আট বিট
৮৭. Integer ও float মেমোরিতে 16 ও 32 বিট জায়গা নেয়
৮৮. long integer চলক মেমোরিতে ৮ বাইট জায়গা নেয়
৮৯. প্রোগ্রামে integer সংখ্যা নির্দেশের ফরমেট স্পেসিফায়ার %d
৯০. প্রোগ্রামে float সংখ্যা নির্দেশের ফরমেট স্পেসিফায়ার %f
৯১. প্রোগ্রামে double সংখ্যা নির্দেশের ফরমেট স্পেসিফায়ার %lf
৯২. প্রোগ্রামে long integer সংখ্যা নির্দেশের ফরমেট স্পেসিফায়ার %ld
৯৩. %f যা নিয়ে কাজ করে-ভগ্নাংশ বা ফ্লোট বা রিয়েল
৯৪. প্রোগ্রামে যার মান কখনই পরিবর্তন হয় না তাকে বলে ধ্রুবক / constant
৯৫. ধ্রুবক ঘোষণার পদ্ধতি হচ্ছে
i. const double pi=3.1416
ii. #define pi 3.1416
৯৬. মেমোরি লোকেশনকে বা মেমোরি অ্যাড্রেসকে বলে চলক
৯৭. Variable ঘোষণার ভিত্তিতে ২ প্রকার, যথা;
i. Local ii. Global iii. Real
৯৮. Variable ঘোষণার নিয়ম হচ্ছে
i. চলকের সংখ্যা দিয়ে শুরু করা যায় না বরং বর্ণ দিয়ে শুরু হয়
ii. স্পেস বা আন্ডারস্কোর ছাড়া অন্য কোনো চিহ্ন থাকতে পারে না
iii. রিজার্ভ কী ওয়ার্ড শব্দ ব্যবহার হয়
iv. _ (আন্ডার স্কোর) ছাড়া অন্য কোন চিহ্ন না দেয়া
৯৯. কোনটি বৈধ Variable? /সঠিক চলক
test1 1test test@1 test-1 st_name st name
১০০. অপারেটর ও অপারেন্ড মিলে তৈরি হয় রাশিমালা / Expression
১০১. অপারেটর প্রথমত ২ প্রকার, যথা; i. unary ii. Binary
১০২. ইউনারি অপারেটরের উদাহরণ i++
১০৩. a++ বা ++a এর সমান = a+
১০৪. a+b*c/d এখানে অপারেটর ও অপারেন্ড ৩ ও ৪ টি
১০৫. সি ভাষায় কয়টি এরিথমেটিক ও রিলেশনাল অপারেটর রয়েছে ৫ ও ৬টি
১০৬. গাণিতিক অপারেটর হচ্ছে + ∑ * / %
১০৭. রিলেশনাল অপারেটর হচ্ছে == != <= >= < >
১০৮. Logicalঅপারেটর হচ্ছে && || !
১০৯. Assignment অপারেটর হচ্ছে = += -= *= /= %=
১১০. Bitwise অপারেটর হচ্ছে << >> & | ^
১১১. সি প্রোগ্রামিং ভাষায় a2এর এক্সপ্রেশন a * a
১১২. 121 এর এক্সপ্রেশন sqrt(121)
১১৩. sqrt(144)এর মান 12 হবে
১১৪. pow(3,2) এর মান 9 হবে
১১৫. x=pow(3,2) + 5%2+ 3 এক্সপ্রেশনটির মান 13
১১৬. pow((10/2–3) , (13%5)) – 30/5 এক্সপ্রেশনটির মান 2
১১৭. কী-ওয়ার্ড চলক ও ফাংশন হিসেবে ব্যবহার করা যায় না
১১৮. C এর সংরক্ষিত শব্দ / কী ওয়ার্ড এর সংখ্যা ৩২
১১৯. c ভাষায় ব্যবহৃত কী-ওয়ার্ড
for else switch int return goto break
১২০. প্রোগ্রামে কোন একটি নির্দেশকে বলে স্টেটমেন্ট
প্রোগ্রামের প্রতিবার যতটুকু নির্বাহ করে তাই স্টেটমেন্ট
১২১. শর্তযুক্ত স্টেটমেন্ট হচ্ছে if/if else switch goto
১২২.Loop অর্থ পুনরাবৃত্তি
১২৩. পুনরাবৃত্তিমূলক স্টেটমেন্ট/ Loop এর প্রকার
i. for ii. While iii. do while
১২৪. For Loop Statement এ for এর গঠনে থাকে
i. Counter Initialization ii. Condition
iii. Conter Update
১২৫. সমজাতীয় ডেটা সংরক্ষণকে অ্যারে বলে
সমপ্রকৃতির ডেটার সমাবেশকে বলে অ্যারে
১২৬. অ্যারের প্রকার হচ্ছে i. একমাত্রিক ii.দ্বিমাত্রিক iii.বহুমাত্রিক
int a[2] int a[2][3] int a[2][3][4]
১২৭. প্রোগ্রামকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করাকে বলে ফাংশন
১২৮. ফাংশনের প্রকার ২টি হচ্ছে i. লাইব্রেরি ii.ইউজার ডিফাইন
১২৯. সি ভাষার লাইব্রেরি ফাংশন scanf printf

int a=5.5, b=5, s;
s=a+b;
printf(“%d”, s); 10
float a=5.5, b=5, s;
s=a+b;
printf(“%f”, s); 10.5
for(i=1; i<=10; i++) s=s+i; printf(“%d”,s); 55 for(i=2; i<=10; i=i+2) s=s+i; printf(“%d”,s); 30 for(i=3; i<=9;i=i+2) s=s+i; printf(“%d”,s); 24 for(i=3; i<=9;i=i+2) printf(“%d”,i); 3 5 7 9 for(i=3; i<=9;i=i+2) printf(“A”); A A A A for(c=2; c<=8;c=c+2) printf(“ict”); ict ict ict ict x=100; x/=5; x=x%5; 0 x=100; x/=5; x=x%3; 2 int a=5, b=6,c; c=a&b; c%=3; printf(“%d”, c); 1 int a=5, b=7,c; c=a&b; c%=3; printf(“%d”, c); 2 a=2, b=3, c=4; a=a+b+c; b= a+b+c; c= a+b+c; printf(“%d,%d,%d”,a,b,c); 9 16 29 a=2, b=3, c=4; a=a+b+c; b= a+b+c; c= a+b+c; d=a+b+c; printf(“%d”,d); 54 a=5; printf("%d",a); 5 a=5; a++; printf("%d",a); 6 a=5; a=a++; printf("%d",a); 5 a=5; ++a; printf("%d",a); 6 a=5; a=++a; printf("%d",a); 6 a=5; a=++a; printf("%d",a++); 6 a=5; a=++a; printf("%d",++a); 7 a=5,b=5; printf("%d%d",a,b); 5 5 a=5,b=5; a++; printf("%d%d",a,b); 6 5 a=5,b=5; a=a++; printf("%d%d",a,b); 5 5 a=5,b=5; a=++a; printf("%d%d",a,b); 6 5 int a=5,b=5; a++; b++; printf("%d%d",a,b); 6 6 int a=5,b=5; a=a++; b=b++; printf("%d%d",a,b); 5 5 int a=5,b=5; a=b++; b=a++; printf("%d%d",a,b); 6 5

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
প্রকাশকঃ আরিফ জামান, সম্পাদকঃ সাইফ হাসান, বার্তা সম্পদকঃ মাহবুবা রেহমান ©নিউজ অনলাইন বিডি, সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপে Host R Web